চট্টগ্রাম, , রোববার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

চবিতে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রকাশ: ২০১৭-১০-১২ ১৯:৪৬:৪২ || আপডেট: ২০১৭-১০-১২ ১৯:৪৭:৩৬

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে রামদা, রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। । বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও সোহরাওয়ার্দি হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া পর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বৃস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের এক কর্মীর সাথে ‘ভিক্স’ গ্রুপের এক কর্মীর কথা কাটাকাটি হয়। এসময় ভিক্স গ্রুপের কয়েকজন কর্মী ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের মাহমুদ নামের এক কর্মীকে মারধর করেন।

এ ঘটনার জের ধরে বিকাল তিনটার দিকে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের নেতাকর্মীরা শাহজালাল হল ও ‘ভিক্স’ গ্রুপের নেতার্মীরা সোহরাওয়ার্দি হলের সামনে অস্ত্রের মহড়া দিতে থাকে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় পুলিশ হল দুটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ রামদা ও লোহার রড উদ্ধার করে।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ‘বাংলার মুখ’ গ্রুপের নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি মো: মামুনকে মারধর করে ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের কয়েকজন কর্মী। এ ঘটনায় বর্তমানে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ স্থগিত কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপু বলেন, ‘জুনিয়দের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ বিষয়ে সমাধানের চেষ্টা করছি। কিন্তু আমাদের কমিটি না থাকায় এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন যে ব্যবস্থা নেবে আমরা তাই মানব।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা হলের সামনে থেকে কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছি। তবে ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের অস্ত্রের মহড়া আমরা দিতে দিব না। যেকোনো অস্ত্রসহ কাউকে পেলে গ্রেফতার করা হবে।’

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি হতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল (বুধবার) খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দি হলের সামনে দফায় দফায় মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচ জন আহত হন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারী হিসাবে পরিচিত।

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ