চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

‘পারমাণবিক লাগেনা, শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হলে জাতি ধ্বংস হয়ে যায়’

প্রকাশ: ২০১৭-১১-১৪ ২০:০৩:০০ || আপডেট: ২০১৭-১১-১৪ ২৩:১৬:২২

কোন দেশকে ধ্বংস করতে হলে পারমাণবিক বোমা লাগেনা। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলেই সেই জাতি ধ্বংস হয়ে যায় মন্ত্যব করে চিটাগাং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তৌহিদ সামাদ বলেন, একটি দেশকে ধ্বংস করতে হলে মানহীন শিক্ষাই যথেষ্ট।

সিআইইউ মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যম-ব্যক্তিত্বদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তৌহিদ সামাদ।  সহকারী রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা সঞ্চালনায় সিআইইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য দিলরুবা আহমেদ, মো. আমিনুজ্জামান ভুঁইয়া, মো. হাবিবুল্লাহ খান, মো.  খালেদ মাহমুদ, মো. ইসমাইল দোভাষ, প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সারোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী জানান, ১৯৯৯ সাল থেকে আইইউবি’র চট্টগ্রাম ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচালিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন নিয়ে ২০১৩ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে সিআইইউ। এটি বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম।সিআইইউ শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত উন্নত মানের শিক্ষা দিচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, যোগ্যতা সম্পন্ন ফ্যাকাল্টি সদস্য দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ফলে এ বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা করেছে।

স্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়ার পর সিআইইউ দক্ষিণ এশিয়ার একটি শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করে ড. মাহফুজুল হক আরো বলেন, “চট্টগ্রামে জায়গার সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে স্থায়ী ঠিকানায় নিয়ে যেতে। যেটি হবে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত।”

ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তৌহিদ সামাদ আরো বলেন, সিআইইউ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা, ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে এমন দক্ষ ও সৃজনশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করছে। আজ থেকে এক হাজার বছর পর বাংলাদেশ কেমন হবে তা নির্ভর করছে আজকে আমরা কী করছি তার ওপর।

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ