চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আজ রোহিঙ্গাদের দেখতে আসছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট

প্রকাশ: ২০১৮-০২-০৪ ১০:৪১:৫৫ || আপডেট: ২০১৮-০২-০৪ ১০:৪১:৫৫

রোহিঙ্গাদের দেখতে চারদিনের সফরে আজ রবিবার ঢাকায় আসছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট অ্যালেই বারসেট। সফরকালে সুইস প্রেসিডেন্ট কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এছাড়া বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি সুইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেই বারসেটের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠক শেষে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালের ১৩ মার্চ দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। সেদিনই সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪৫ বছর পূর্তি হয়েছে ২০১৭ সালে। সুইজারল্যান্ডের রীতি অনুসারে গত ১ জানুয়ারি এক বছরের মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন অ্যালেই বারসেট।

ইতিপূর্বে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ৪৭তম বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে ১৬ জানুয়ারি রাতে ৫ দিনের সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ডে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডব্লিউইএফ নির্বাহী চেয়ারম্যান প্রফেসর ক্লাউস সোয়াবের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী প্রথম বাংলাদেশী নির্বাচিত নেতা হিসেবে এ ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন। সুইজারল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় আল্পস অঞ্চলে গ্রাউবান্ডেনে পার্বত্য রিসোর্ট ডাভোসে ১৭ থেকে ২০ জানুয়ারি ৪ দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সুইজারল্যান্ড
সুইস বা সুইজারল্যান্ড (জার্মান: die Schweiz ডি শ্বাইৎস, ফরাসি: la Suisse লা স্যুইস্, ইতালীয়: Svizzera স্বিৎস্স্রা, রোমান: Svizra স্বিৎস্রা) ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। তবে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। এর মুদ্রার নাম সুইস ফ্রাংক এবং বাৎসরিক স্থুল দেশজ উৎপাদের পরিমাণ ৫১২.১ বিলিয়ন সুইস ফ্রাংক (২০০৭ খ্রিস্টাব্দ)। এটি পৃথিবীর ধনী রাষ্ট্রসমূহের অন্যতম।

২০০৬ খ্রিস্টাব্দে জনসংখ্যা ছিল প্রায় পৌণে এক কোটি। এদেশে মানুষের মাথাপিছু বাৎসরিক আয় ৬৭,৮২৩ সুইস ফ্রাংক (২০০৭ খ্রিস্টাব্দ)। বের্ন শহরটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী। অন্যতম বিখ্যাত অন্য দুটি শহর হলো জুরিখ এবং জেনিভা। জুরিখের দিকের লোকেরা জার্মান এবং জেনিভার দিকের লোকেরা ফরাসি ভাষায় কথা বলে। আল্পস পর্বতমালা ও প্রশস্ত হ্রদ সুইজারল্যান্ডকে অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে রূপে ভূষিত করেছে। বিশ্বের পর্যটকদের জন্য এটি বিশেষ আকর্ষণীয় একটি দেশ।

সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি, ট্রেন এবং চকলেট খ্যাতি বিশ্বজোড়া। অবশ্য সুইস ব্যাংকসমূহ কালো টাকা নিরাপদের সংরক্ষণের জন্য কুখ্যাত। দেশটির কোন নিয়মিত সেনাবাহিনী নেই। দেশটির রাজনৈতিক অবস্থা ভারসাম্যমূলক ও অত্যন্ত সুস্থির। সুইস সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিবছর ১লা জানুযারী তারিখে এর রাষ্ট্রপতি পরিবর্তিত হয়। ছয় বৎসরের জন্য গঠিত মন্ত্রীপরিষদের একে জন মন্ত্রী পালাক্রমে এক বৎসরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ