চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া অংশে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-২১ ১০:৫৩:৩০ || আপডেট: ২০১৮-০৩-২১ ১৫:১৪:৪৫

পটিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। এজন্য সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। জনসভাস্থলে লাগানো হয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৯০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়া সড়ক যোগাযোগেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী পটিয়া কলেজ মাঠে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের আয়োজনে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোর থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া অংশে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকবে। সব গাড়িই ভেল্লাপাড়া ক্রসিং থেকে আনোয়ারা হয়ে চন্দনাইশ পৌঁছবে। আর পটিয়া সদরমুখী থাকবে শুধু জনসভাকেন্দ্রিক গাড়িগুলো। চট্টগ্রাম থেকে ভিআইপিদের গাড়িগুলো পটিয়ামুখী হতে পারবে। সাধারণ গাড়িগুলো যাবে আনোয়ারা-বাঁশখালী সড়ক ধরে চন্দনাইশ কলেজ গেট এলাকায়। আবার দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে চট্টগ্রামমুখী গাড়িগুলোও চন্দনাইশ কলেজ গেট থেকে বামে ঘুরে উপজেলা সদর হয়ে আনোয়ারা উপজেলা হয়ে ভেল্লাপাড়া ক্রসিংয়ে দিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।

জানা গেছে, নির্দেশনা অনুযায়ী সাতকানিয়া-লোহাগাড়া-বাঁশখালী, চন্দনাইশ, বান্দরবান ও রাঙামাটি থেকে জনসভায় আসা গাড়িগুলো চক্রশালায় নেতাকর্মীদের নামিয়ে দিয়ে বামে নতুন বাইপাসে প্রবেশ করবে। আনোয়ারা-কর্ণফুলী, বোয়ালখালী এবং নগরী ও উত্তর জেলা থেকে আসা গাড়ি ইন্দ্রপোলে নেতাকর্মীদের নামিয়ে দিয়ে বাইপাসে প্রবেশ করবে।

এদিকে, জনসভাস্থলে বসানো হয়েছে ঢাকা থেকে আনা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৯০টি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা দিয়ে জনসভায় আসা লোকজনের ছবি ধারণ করা হবে। ক্যামেরায় চেহারাও দেখা যাবে। জনসভায় আগতদের গতিবিধি নজরদারি করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জনসভার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় চার হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাঁচ স্তরে থাকবে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কনস্টেবল থেকে শুরু করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক ফোর্স থাকবে সাদা পোশাকে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদ বলেন, পটিয়ায় জনসভাকে ঘিরে নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ নিরাপত্তায় কোন ধরনের ক্রুটি বা ফাঁক ফোঁকরের সুযোগ নেই। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা আনা হয়েছে। সেগুলো জনসভাস্থলে স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে লোকজনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। লোকজনের চেহারাও দেখা যাবে স্পষ্ট। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ পাবে না।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে নিরাপত্তার মহড়া দেয়া হয়েছে, যাতে কোন ত্রুটি না থাকে। পুরো পটিয়াকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

হেলিপ্যাড, জনসভার ইনার ও আউটার কর্ডন, আশপাশের এলাকা, মোবাইল ডিউটিসহ বিভিন্ন ভাগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

এদিকে জনসভার মাঠের আশপাশের ভবন, ভবনের মালিক ও ভাড়াটিয়াদের বিস্তারিত তথ্যাদি সংগ্রহ করেছে জেলা পুলিশ। গত দুদিন ধরে সমাবেশের আশেপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক সাদা পোশাকের পুলিশ দায়িত্ব পালন শুরু করেছে।

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

Open

Close