চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮

মাত্র ৫ মিনিটে সংবাদ সম্মেলন শেষ করলেন কেএসআরএম!

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০১ ১৮:০০:১৯ || আপডেট: ২০১৮-০৪-০১ ১৮:০০:৩৭

দখলস্বত্ব মূলে রেলওয়ের শতকোটি টাকার জায়গা দখলে রাখতে মরিয়া চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি শিল্পগ্রুপ পিএইচপি ও কেএসআরএম। জায়গাটি দখলে রাখতে একের পর এক চলছে দখল-পাল্টা দখল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র রবিবার সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন কেএসআরএম কর্মকর্তারা।

সেখানে উপস্থিত হলেও গণমাধ্যমের প্রশ্ন বাণে টিকতে না পেরে মাত্র ৫ মিনিটেই সংবাদ সম্মেলন কক্ষ ছেড়ে গেছেন তারা।

এদিকে সংবাদ সম্মেলন ৫ ঘণ্টা পর সিটিজি টাইমসের কাছে পাঠানো KSRM-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি নিচে হবহু তুলে ধরা হলঃ

বিষয়: KSRM এবং PHP -গ্রুপ এর জমি সংক্রান্ত চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে।

সম্মানিত, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ,

উপরোক্ত বিষয়ে আমি মেহরুল করিম, সিইও, KSRM গ্রুপ এর পক্ষে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।

KSRM গ্রুপ গত ৩৩ বছরের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশে প্রচলিত সকল আইন-কানুন মেনে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। অদ্যাবধি, KSRM গ্রুপ এর বিরূদ্ধে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বা জমি দখলের কোন অভিযোগ কখনোই কেউ উত্থাপিত করতে পারেনি।

আশা করি আমাদের নিন্মে বক্তব্য ইতিমধ্যে সৃষ্ট বিভ্রান্তি সমূহ নিরসন করবে।

১। বিষয়োক্ত বাড়বকুন্ডস্থ রেলওয়ের জমি,সাবেক টি.পি. ১৮/১৪ হইতে ১৮/১৯ মধ্যবর্তী ১.৬৪ একর, ১৯৮০ সাল থেকে জনাবনু রুলআলম, লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়ে ভূমি লাইসেন্স ও ভ্যাট হালনাগাদ পরিশোধ করে ভোগ-দখল করে আসছিলেন।

২। পরবর্তীতে উক্ত জমি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য KSRM ও PHP উভয় পক্ষ কাগজ পত্রসহ স্ব-স্ব পক্ষে আবেদন করলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব সার্ভেয়ারের দিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাত্রি-পক্ষীয় শুনানীর মাধ্যমে KSRM এর পক্ষে পরিচালক জনাব মোঃ সেলিমউদ্দিন এর নামে লাইসেন্স প্রদান করেন। উক্ত জমি ২০১৭ ইংসাল থেকে আমাদের দখলে আছে যা আমরা ব্যবহার করে আসছি। উল্লেখ্য, এই জমিসংক্রান্ত বিরোধের বিষয় নিয়ে উভয় গ্রুপের মালিক পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

৩। আমাদের উল্লেখিতজমিরচারপাশে থাকা ঘেরা-বেড়া নষ্ট হয়ে যাওয়াতে তা মেরামত করার সময় গত ১৩/০৩/২০১৮ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ১০.৩০টায় প্রতিপক্ষগ্রুপের লোকজন আমাদের কর্তব্যরত নিরাপত্তাপ্রহরী ও শ্রমিকদের উপর চড়াও হয়।

৪। পরবর্তীতে ২৯/০৩/২০১৮ ইং তারিখে আমরা উল্লেখিত ভাংচুর কৃত ঘেরা-বেড়া মেরামত কাজ সম্পন্ন করি। এমতাবস্থায় আমাদের শ্রমিকরা চলে আসার সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা আমাদের কর্মরতশ্রমিকদের নিরাপত্তা ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করি। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশক্রমে বর্তমানে স্থিতিবস্থা বিরাজকরছে।এমতাবস্থায় আমরা উভয় পক্ষ বর্তমানে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রচেষ্ঠা চলমান রেখেছি।

আশাকরি, উপরোক্ত বক্তব্য KSRM কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থান স্পষ্টকরতে পেরেছে। সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দের প্রতিঅনুরোধ, ভবিষ্যতে এই বিষয়ে কোনোসংবাদ প্রকাশ কিংবা প্রচারের পূর্বে যেন নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে যাচাই করা হয়। আমাদের বিশ্বাস, আপনাদের সত্যানুসন্ধানী ও নিরপেক্ষঅবস্থানে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে।

আপনার মতামত দিন...

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

Open

Close