চট্টগ্রাম, , রোববার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ-সিসিসি ‘সমঝোতা’

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০৯ ১৮:১৭:০১ || আপডেট: ২০১৮-০৪-১০ ১১:৩৯:৪২

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে বিবদমান দুই সরকারি সংস্থার প্রধান পারস্পরিক সহযোগিতার ঘোষণা দিলেন।সোমবার পাঁচ তারকা রেডিসন ব্লু হোটেলে চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সাথে সেনাবাহিনীর সমঝোতা স্মারক সাক্ষর হয়।

সেই অনুষ্ঠানে এতদিন জলাবদ্ধতা ইস্যুতে বিপরীত মেরুতে থাকা দুই সংস্থা- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) ও সিডিএর দুই কর্ণধার পারস্পরিক সহযোগিতার ঘোষণা দিলেন।

সোমবারের অনুষ্ঠানে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, পদ্মা সেতুর পর বাংলাদেশের বড় প্রকল্প চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প। চট্টগ্রামবাসী এতদিন আতঙ্কে ছিল জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে কি না।এখন এমওইউ সাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই আতঙ্ক দূর হবে। এরপর হবে বাস্তবায়ন। ২০১৬ সালে ওয়াসার করা ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যানের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের মেয়র-কাউন্সিলরসহ সবাইকে অনুরোধ করছি সহযোগিতা করার জন্য। তারা একাজে অভিজ্ঞ। মেয়রের কাছে প্রত্যাশা তারা অভিজ্ঞতা দিয়ে সহযোগিতা করবেন।

এরপর অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়ে যেভাবে সহযোগিতা করা প্রয়োজন তা শতভাগ করব। জলাবদ্ধতা নিরসন নগরবাসীর জন্য।যত দ্রুত আমরা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হব তত মঙ্গল। নগরবাসীর কাছে অনুরোধ- বলা যত সহজ, করা তত কঠিন। এই প্রকল্পের সুফল পাব বাস্তবায়নের পর। এটা বুঝতে হবে, ধৈর্য্য ধরতে হবে। খালে ও ড্রেনে ময়লা-আর্বজনা ফেলার অভ্যাস পরিহার করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, এটা বন্ধ না হলে প্রতিদিন মাটি তুলেও সুফল মিলবে না। সকলকে সংকীর্ণতা উর্ধে উঠে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশ ব্রিগেড এর লে. ক. শাহরিয়ার আহমেদ আমিনএবং সিডিএ’র পক্ষে প্রকৌশলী হাসান বিন শামস সমঝোতা স্মারকে সাক্ষর করেন।

এসময় আ জ ম নাছির ও আবদুচ ছালামকে পাশাপাশি দাঁড়াতেও দেখা গেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকশানা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন উপস্থিত ছিলেন।

গত ৯ অগাস্ট ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ নামে পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায়।

 

আপনার মতামত দিন...

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

Open

Close