চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

চট্টগ্রাম থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ফ্লাই দুবাই

প্রকাশ: ২০১৮-০৫-০৮ ২০:০৬:৩৮ || আপডেট: ২০১৮-০৫-০৮ ২০:২৩:২৬

অবশেষে চট্টগ্রাম থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইনস ফ্লাই দুবাই।

আগামী ১৪ জুন চট্টগ্রাম-দুবাই রুটে সর্বশেষ ফ্লাইট চালাবে এয়ারলাইনসটি। এর আগে ২৫ মার্চ থেকে ঢাকা-দুবাই রুটের ফ্লাইট গুটিয়ে নেয় ফ্লাই দুবাই। সাত বছর ধরে দুই রুটে প্রতিদিন একটি ফ্লাইট চালাচ্ছিল এয়ারলাইনসটি।

এ প্রসঙ্গে ফ্লাই দুবাই এয়ারলাইনসের জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসএ) স্কাই এভিয়েশন সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল রেজা চৌধুরী বলেন, `ফ্লাই দুবাই ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের কোড শেয়ারের মাধ্যমে যাত্রীরা উপকৃত হবেন। যেমন— ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে যেসব বাংলাদশি যাত্রী ঢাকায় আসতেন, তাদের সিলেট যেতে হলে ইমিগ্রেশনের পর লাগেজ বুঝে নিয়ে আবারও ডোমেস্টিক বিমানবন্দরে চেকইন করতে হতো। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রী লাগেজে যতটুকু ওজন সুবিধা পান, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে তা পান না। সেক্ষেত্রে বাড়তি ওজনের জন্য যাত্রীকে অর্থ গুনতে হয়। কোড শেয়ার হওয়ায় যাত্রীরা সরাসরি সিলেটে যেতে পারছেন।‘

ফ্লাই দুবাই সূত্র জানায়, যাত্রী পরিবহনে এমিরেটস এয়ারলাইনসের সঙ্গে কোড শেয়ার চুক্তি করায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে ফ্লাইট বন্ধ করছে ফ্লাই দুবাই। কোড শেয়ার চুক্তির মাধ্যমে ফ্লাই দুবাইয়ের ঢাকা-দুবাই রুটের যাত্রীদের বহন করছে এমিরেটস এয়ারলাইনস।

এদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কার্যক্রম গোটালেও সিলেট-দুবাই রুটে চলমান ফ্লাইট কার্যক্রম অব্যাহত রাখছে সংস্থাটি। এমিরেটসের যাত্রীরা বিশ্বের কোনো বিমানবন্দর থেকে সিলেটে আসতে চাইলে তাদের দুবাই পর্যন্ত পরিবহন করবে এমিরেটস। দুবাই থেকে তাদের সিলেট পৌঁছে দেবে ফ্লাই দুবাই। একইভাবে অন্যান্য অঞ্চল থেকে ফ্লাই দুবাইয়ের যাত্রীরা ঢাকার টিকিট কাটলে তাদের দুবাই পর্যন্ত নিয়ে আসবে ফ্লাই দুবাই। এরপর দুবাই থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনস তাদের ঢাকায় আনবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট দিয়ে চট্টগ্রাম-দুবাই রুট এবং ফেব্রুয়ারি থেকে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট দিয়ে ঢাকা-দুবাই রুট চালু করে এয়ারলাইনসটি।

One Reply to “চট্টগ্রাম থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ফ্লাই দুবাই”

  1. ড্রাগন এয়ার, ফুকেট এয়ার, ওমান এয়ার এর পরে এখন ফ্লাই দুবাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে বানিজ্যক রাজধানী হিসাবে চট্টগ্রামের যে উন্নয়ন হবার কথা সেখানে ভাটা পড়ছে। অনেক দাবীর পর রিয়াদ-চট্টগ্রাম বিমান রুট চালু হলেও তা যাত্রী পাওয়া যাচ্ছেনা বলে বন্ধ করা হল, অথছ টিকেটের জন্য গেলে বলা হয় সিট খালি নাই অন্যদিকে বিমান খালি যায়। চট্টগ্রামকে নিয়ে চিন্তা করবার কি কেউ নাই? এই বিমান বন্দরের জন্য আর কত উদাসীনতা!!

আপনার মতামত দিন...

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

Open

Close